কাব্যসংকলন ‘সুবর্ণরেখা’র হাতধরে সাহিত্যক্ষেত্রে আত্মপ্রকাশ। অতঃপর দীর্ঘ সাধনা ও গবেষণার পর এলো ‘সুখন্-এ-গালিব’, যা মির্জা গালিবের জীবন, তাঁর সময় ভারতবর্ষের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং তাঁর জীবনে তার প্রভাব, আর তাঁর গজল, চিঠি ও স্তুতিসূচক সমস্ত রচনার বঙ্গানুবাদ সম্বলিত, দুটি খণ্ডে বিভক্ত, এক অনন্য গ্রন্থ। আবার বেশ কিছুটা সময় সাড়াশব্দহীন। তারপর আবার এলো দুই মহাকাব্য আধারিত পরপর দুটি গ্রন্থ। প্রথমটিতে বেছে নিলেন রামায়নের পাঁচ নারী চরিত্র – সূর্পণখা, তাড়কা, সীতা, ঊর্মিলা আর মন্দোদরী’কে। রচিত হোলো পাঁচটি ভিন্ন আঙ্গিকে পাঁচটি অনবদ্য কাব্যনাট্য। নাম – ‘রমা রামায়ণী’। আর দ্বিতীয়টিতে বেছে নিলেন মহাভারতের এক উপেক্ষিত চরিত্র ‘বিদুর’কে। মহাকাব্য থেকে বিন্দুমাত্র না সরে, তাঁর জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি চুলচেরা বিশ্লেষণ করে বোঝালেন, মহাভারতের প্রধান চরিত্র হওয়ার দাবীদার যদি কেউ হয়ে থাকেন, তবে তিনি মহামতি বিদুর ব্যতীত আর কেউ নন। যিনি পর্দার অন্তরালে থেকেও বাস্তবিকভাবেই সে মহাকাব্যের নিয়ন্তা। তাই সে অনবদ্য গ্রন্থের নামও দিলেন : ‘নিয়ন্তা – যঃ ধর্মঃ, সঃ বিদুরঃ’। অতঃপর এলো তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘বিসমিল্লাহর হাসি’ ও রম্যরচনা সংকলন ‘হ্যাণ্ডেল উইথ কেয়ার’।